إعدادات العرض
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা কতিপয় বিষয় ফরয করেছেন। তোমরা সেটাকে বিনষ্ট কর না, এবং কতক সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, তোমরা…
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা কতিপয় বিষয় ফরয করেছেন। তোমরা সেটাকে বিনষ্ট কর না, এবং কতক সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, তোমরা সেটা লঙ্ঘন কর না এবং কতক বস্তু হারাম করেছেন তোমরা তাতে লিপ্ত হয়ো না, এবং তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করে কিছু বস্তু হতে ইচ্ছাকৃত চুপ থেকেছেন, তোমরা তা অনুসন্ধান কর না”।
আবু সা‘লাবাহ আল-খুশানী জুরসুম ইবনু নাশির রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা কতিপয় বিষয় ফরয করেছেন। তোমরা সেটাকে বিনষ্ট কর না, এবং কতক সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, তোমরা সেটা লঙ্ঘন কর না এবং কতক বস্তু হারাম করেছেন তোমরা তাতে লিপ্ত হয়ো না, এবং তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করে কিছু বস্তু হতে ইচ্ছাকৃত চুপ থেকেছেন, তোমরা তা অনুসন্ধান কর না”।
الترجمة
العربية Español አማርኛ English اردو Indonesia Français Türkçe Русский Bosanski සිංහල हिन्दी 中文 فارسی Tiếng Việt Tagalog Kurdî Hausa Português മലയാളം తెలుగు Kiswahili தமிழ் မြန်မာ ไทย Deutsch پښتو অসমীয়া Shqip Nederlands ગુજરાતી Кыргызча नेपाली Lietuvių دری Српски тоҷикӣ Kinyarwanda Română Magyar Čeština Moore Malagasy Oromoo ಕನ್ನಡ Wolof Azərbaycan O‘zbek Українська ქართული Македонски ភាសាខ្មែរ Bambara ਪੰਜਾਬੀ मराठी Kirundi Kurmancî Bahasa Melayuالشرح
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ কিছু জিনিসকে ফরয এবং কর্তব্য হিসেবে নির্ধারণ করেছেন, তোমরা সেগুলোকে অবশ্যই মেনে চলবে। সেগুলো পরিত্যাগ করে বা শিথিলতা প্রদর্শন করে তাতে কোন প্রকার অবহেলা করবে না। তিনি তোমাদের জন্য এমন বাধা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন যা তোমাদেরকে এমন কাজ থেকে বিরত রাখবে যা তিনি পছন্দ করেন না, তাই শরীয়ত যা আদেশ করেছে তার উপর কোন কিছু বৃদ্ধি করো না। আর কিছু জিনিস হারাম করেছে, সেগুলোতে লিপ্ত হয়ো না বা সেগুলোর কাছে যেয়ো না। এগুলো ছাড়া তাঁর বান্দাদের প্রতি করুণা বশত যা ছেড়ে দিয়েছেন এবং যার সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন, সেগুলো তাদের আসল অবস্থায়ই জায়েয থাকবে, সেগুলো সন্ধান করো না।فوائد الحديث
হাদীসটি প্রমাণ করে যে আল্লাহ-ই হলেন আইন প্রণেতা, শরীয়াতের প্রবর্তক কাজেই সকল বিষয় তাঁর হাতে, তিনি পবিত্র।
আদেশ ও বৈধতার ভিত্তিতে হাদীসটি ইসলামী শরীয়তের নীতিমালার অন্তর্ভুক্ত। কারণ শরীয়তের হুকুম হয় বর্ণনা না করে চুপ থাকা অথবা বর্ণনা করা। আর তা হয়ত ওয়াজিব বা মুস্তাহাব হিসেবে আদেশ কৃত, অথবা হারাম বা মাকরূহ বা বৈধ হিসেবে নিষিদ্ধ।
আল্লাহ যার সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন, ফলে তা ফরয, সীমাবদ্ধ বা নিষিদ্ধ করেননি তা জায়েয।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লামের বয়ানের সৌন্দর্য, তিনি হাদীসটিকে সুস্পষ্ট প্রকার বর্ণনার মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন।
আল্লাহর ফরযসমূহ রক্ষা করা ওয়াজিব।
আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন করা হারাম।
التصنيفات
শাস্তিসমূহ