“তোমাদের কেউ ঈমানাদর হতে পারবে না, যতক্ষণ না তার প্রবৃত্তি আমার আনীত আদর্শের অধীন হয়।”

“তোমাদের কেউ ঈমানাদর হতে পারবে না, যতক্ষণ না তার প্রবৃত্তি আমার আনীত আদর্শের অধীন হয়।”

আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ ঈমানাদর হতে পারবে না, যতক্ষণ না তার প্রবৃত্তি আমার আনীত আদর্শের অধীন হয়।”

[ইমাম নববী বলেছেন: হাদীসটি সহীহ।] [(এটি কিতাবুল হুজ্জাহ তে বর্ণনা করেছি, এর সনদ সহীহ)]

الشرح

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, একজন মানুষ পূর্ণ ঈমানদার হতে পারে না যতক্ষণ না তার ভালোবাসা সেইসব বিষয়ের অনুসারী হয়, যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়ে এসেছেন — যেমন আদেশ-নিষেধ ও অন্যান্য বিষয়। সে যেন তাই ভালোবাসে যার তিনি আদেশ করেছেন এবং তাই ঘৃণা করে যা তিনি করতে নিষেধ করেছেন।

فوائد الحديث

“এই হাদীসটি শরীয়তের প্রতি আত্মসমর্পণ ও আনুগত্য প্রকাশের একটি মূলনীতি।”

মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে যে, কেউ যদি নিজের বুদ্ধি বা অভ্যাসকে বিচারক মানে এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা নিয়ে এসেছেন তার উপরে তা প্রাধান্য দেয়, তাহলে এরূপ ব্যক্তির থেকে ঈমানকে না করা হয়েছে।

শরীয়তকেই প্রতিটি বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তদাতা বানানো আবশ্যক, কারণ তিনি বলেছেন: “আমি যা নিয়ে এসেছি”।

ঈমান ইবাদতের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায় এবং গুনাহ বা অবাধ্যতার মাধ্যমে কমে যায়।