إعدادات العرض
পবিত্রতা
পবিত্রতা
3- “তোমরা গোফ কেটে ফেল (অর্থাৎ ঠোটের ওপর থেকে কেটে দাও) এবং দাড়ি ছেড়ে দাও (অর্থাৎ বড় হতে দাও)।”
5- “অযু নষ্ট হলে পুনরায় অযু না করা পর্যন্ত আল্লাহ তোমাদের কারো সালাত কবুল করবেন না।”
6- “মিসওয়াক মুখের পবিত্রতা অর্জনের উপকরণ ও আল্লাহর সন্তোষ লাভের উপায়।”
10- “পায়ের গোড়ালিসমূহের জন্য আগুনের শাস্তি। তাই তোমরা পূর্ণমাত্রাই ওযু করো।”
11- ও দু’টো থাক, আমি পবিত্র(ওজু) অবস্থায় ও দু’টি পরেছিলাম।
17- “যখন তোমাদের কারো পাত্রে কুকুর পান করে, সে তা সাতবার ধুয়ে নিবে”
19- বড় নাপাকী হতে গোসল করার পদ্ধতি
23- অতঃপর তিনি তাঁদের (দেখাবার) জন্য নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অযুর মতো অযু করলেন।
32- “তোমাদের মধ্যে যে জুমু‘আয় উপস্থিত হয় সে যেন গোসল করে”।
33- “সমুদ্রের পানি পবিত্র এবং তার মৃত প্রাণী (খাওয়া) হালাল”।
34- “পানি যখন দুই ‘কুল্লা’ হবে তখন তা নাপাক হবে না”।
41- আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি তার মোজার উপরিভাগের ওপর মাসেহ করেন।
45- “আমরা(মাসিক স্রাব থেকে) পবিত্র হওয়ার পর হলদে ও মেটে বর্ণের স্রাবকে কিছুই গণ্য করতাম না।”
46- “তোমার হায়েয(মাসিক স্রাব) তোমাকে যে পরিমাণ বিরত রাখত সে পরিমাণ তুমি বিরত থাকো। অতঃপর তুমি গোসল করো।”
50- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন প্রকার পানি স্পর্শ করা ছাড়া নাপাকী অবস্থায় ঘুমাতেন।
51- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক সালাতের সময় উযূ করতেন
52- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার একবার উযূ করেছেন।
53- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূতে দু’বার দু’বার করে ধুয়েছেন।
55- “প্রত্যেক মুসলিমের উচিত সাত দিনে এক দিন গোসল করা। এই দিন সে তার মাথা ও শরীর ধৌত করবে”।
62- তোমাদের কেউ যেন স্থির- যা প্রবাহিত নয় এমন পানিতে পেশাব না করে। (সম্ভবত) পরে সে আবার তাতে গোসল করবে।
73- যখন কোন ব্যক্তি স্ত্রীর চার শাখার মাঝে বসে, অতঃপর তার সাথে সঙ্গম করে, তাহলেই গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়।
81- নিশ্চয় বিড়াল অপবিত্র (প্রাণী) নয়। এরা তোমাদের আশেপাশে ঘুরাফেরাকারী ও তোমাদের সংশ্রবে আশ্রিত প্রাণী।
